Sports News

হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হলো ইমরুল কায়েসের বাবাকে

ঢাকায় আনা হলো- সড়ক দুর্ঘ টনায় গু রুতর আহ ত হয়েছেন জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসের বাবা বনি আমিন বিশ্বাস(৫৮)। আশ ঙ্কাজনক অবস্থায় সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে মেহেরপুর জেনারেল হাস পাতাল থেকে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। সকালে সদর উপজেলা উজলপুর গ্রামের বাড়ি থেকে মেহেরপুর শহরে মোটরবাইক যোগে যাচ্ছিলেন ইমরুলের বাবা। শহরের কাতুলী সড়কে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত গাড়ির ধা ক্কা দিলে গু রুতর আহ ত হন তিনি।

মেহেরপুর জেনারেল হাস পাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘ টনায় তার পা, হাত, ও মাথায় গু রুতর আ ঘাতপ্রাপ্ত হন। হাস পাতালে তাকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎ সা দেয়া হয়। পরে ইমরুল কায়েস তার বাবাকে ঢাকায় হাস পাতালে নেয়ার জন্য হেলিকপ্টার প্রেরণ করেন। এদিন দুপুরে মেহেরপুর সরকারী বয়েজ স্কুল মাঠ থেকে তাকে হেলিকপ্টারে তুলে দেয়া হয়। এসময় ইমরুল কায়েসের মা দিলারা খাতুন, মামাতো ভাই রনি এবং স্কয়ার হাস পাতালের একজন চিকিৎ সক সঙ্গে ছিলেন।

যা ঘটছে অথবা যা ঘটতে যাচ্ছে তা আমাদের চিন্তা-চেতনারও অনেক বাইরে। যদি বুঝতেন তাহলে হয়তো পিলে চ মকে উঠতেন। আমরা যে কতটা মু’র্খ জাতি তা একটু মন দিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করলেই হয়তোবা বুঝতে পারবেন।

গোটা বিশ্ব আজ কাঁ’পছে করো’না ভা ইরাসের মতো ভ য়ংকর এক মহামা রীর ছো বলে। ভ য়ংকর কেনও বললাম? কা রণ যে ভা ইরাসের কথা বলা হচ্ছে তা চোখে দেখা যায় না। এটা ছোঁ’য়াচে। কত সহজেই তা একজনের থেকে আরেকজনের শ রীরে প্রবেশ করছে আর প্রতিনিয়ত মৃ ত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। যা চীন আর ইতালিই উদাহরণস্বরুপ।

হ্যাঁ, করো’না ভা ইরাসে আ ক্রান্ত হলেই যে মা রা যাবে তেমনটা ভাবার কোনও কা রণ নেই। আ ক্রান্ত বেশিরভাগই সুস্থ হচ্ছেন। কিন্তু আ ক্রান্ত ব্যক্তি যে আরও দশজনকে ছ’ড়িয়ে দিচ্ছেন আর তাদের মধ্যে হয়তো একজন মৃ ত্যুকে বেছে নিচ্ছেন, এটাই ভ য়াবহ। এর প্রতি কারের ব্যবস্থা করতে হবে জরুরি ভিত্তিতে।

আমাদের দেশে এখনও পর্যন্ত ২ জন এই ভা ইরাসে মা রা গেছেন। আর আ ক্রান্ত হয়েছেন ২৪ জন। যা সরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে কতোজন এই ভা ইরাস শ রীরে নিয়ে নির্ধিদ্বায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন আর অপরকেও ছড়িয়ে দিচ্ছেন তা কেউ বলতে পারে না।

শনিবার (২১মার্চ) মিরপুরে যে ব্যক্তি করো’না আ ক্রান্ত হয়ে মা রা গেছেন তার কথা একবার মনযোগ দিয়ে চিন্তা করুন। সেই ব্যক্তি বা তার পরিবারের কেউ বিদেশ থেকে আসেননি। গত ১৭ মার্চ লোকটি অ’সুস্থ হয়ে চিকিৎ সা নিতে যান কল্যাণপুরে। কিন্তু সেখানকার ডাক্তার তাকে মিরপুরের হাস পাতালে পাঠিয়ে দেন।

ওখানকার ডাক্তার তার শ্বাসক ষ্টে সমস্যা আছে দেখে করো’না ভা ইরাসের টেস্ট করার জন্য বলেন। কিন্তু বিপত্তি বাধে সেখানেই। করোনা টেস্ট করার একমাত্র জায়গা আইইডিসিআর-এ যোগাযোগ করা হলে তারা বরাবরের মতোই বলে রো গী বিদেশফেরত না। তাই টেস্ট করা যাবে না। এরপর সরকারের উচ্চপর্যায়ের কারো তদবিরে টেস্ট করা’নো হলো। রিপোর্টে আসল করো’না পজেটিভ তার। তাহলে বুঝুন।

মঙ্গলবার থেকে শনিবার, এই পাঁচদিনে লোকটি কত জায়গায় গেছেন। হাস পাতাল, ডাক্তার, নার্স, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশি, বাজার, মসজিদ আরও কতো। যার হিসাব নির্ণয় করা কি সম্ভব? তাহলে চোখ বন্ধ করে চিন্তা করুন- কতো জনের সংস্প র্শে তিনি যেতে পারেন। তিনি তো এই কয়দিন কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন না। তিনিও তো এরকম কারও দ্বারা আ ক্রান্ত হয়েছিলেন। তাহলে সেই আ ক্তান্ত ব্যক্তিটি কোথায়? ভাবুন, আর সিদ্ধান্ত নিন এখনই।

আমরা অবলীলায় চলাফেরা করছি সবখানে। চায়ের দোকানে যে কাপে চা খাচ্ছি, সে কাপটায় হয়তো আ ক্রান্ত ব্যক্তি স্প র্শ দিয়ে গেছেন আপনার আগে। লিফটের বাটনে আঙুলে যে চা’প দিচ্ছেন সেই বাটনে হয়তো আ ক্রান্ত কেউ স্প র্শ করে গেছেন। বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা খুলছেন, সেই তালায়ও হয়তোবা আ ক্রান্ত কেউ ছোঁয়া দিয়ে গেছেন অজান্তে।

সিঁড়ির রেলিংয়ে হাত রেখে উঠছেন-নামছেন, তার আগে কোনও আ ক্রান্ত ব্যক্তি তা স্প র্শ করে যায়নি তা কি আপনি জানেন? বাজার থেকে জিনিস কিনছেন? দোকানদার যে আ ক্রান্ত না তা কি আপনি বুঝতে পারছেন? সবচেয়ে বড় বি পদ তো টাকা লেনদেনে। এ হাত সে হাত ঘুরছে টাকা। আপনি দোকান থেকে জিনিস কিনে যে খুচরাটা ফেরত নিচ্ছেন সে টাকাটা কতটা নিরাপদ তা কি কেউ ভেবে দেখেছেন?

ভ য় পাওয়ার কোনও কা রণ নেই? আমরা ভ য়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এটা ঠিক। তবে এর জন্য দরকার সচেতনতা। নিজেকে হতে হবে সচেতন, আর অন্যকেউ সচেতন হতে উৎসাহিত করতে হবে। এ সময়টা ঠাট্টা ফাজ’লামি করার সময় নয়। ফেসবুকে অনেকে করো’না ভা ইরাস নিয়ে ব্যাঙ্গা ত্মক স্ট্যাটাস পোস্ট করছেন। দয়া করে এসব থেকে বির’ত থাকুন।

আমাদের দেশে যে ভ য়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কথা বিবেচনা করলে সহজেই অনুমান করা যায়। অতি দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। গতকাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিনিধি সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনকে অনুরোধ করে গেছেন যেন এই দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। সত্যি কথা বলতে কি, বাঙালি লকডাউন, শাটডাউন এসব বুঝে না। আমি কক্সবাজারের সন্তান।

আমাদের এলাকায় একটা কথার প্রচলন আছে- লা’থি খাওয়া হা’ট্টল(কাঁঠাল) লাথি না খাইলে পাঁকে না। তাই বলছি, লকডাউন আর শাটডাউন নয়। সরাসরি ১৪৪ ধারা। যেখানেই দেখবে সেখানেই মা ইর অথবা গু লি। দেখবেন বাঙালি সাইজ হয়ে গেছে। ঘর থেকে কেউ বের হবে না। আর যেসব অ’সাধু ব্যবসায়ী এই আ তঙ্ককে পুঁজি করে অধিক লাভের আশায় জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছেন তাদের জরিমানা নয়, ধরে হয় ৫ বছরের জে ল নতুবা করো’না আ ক্রান্ত রো গীর সেবায় নিয়োজিত করা কোনও প্রটেকশন ছাড়া।

বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কোয়ারেন্টাইনে থাকতে চাচ্ছে না প্রবাসীরা। অনেকে পালা’চ্ছেও। কতটা হা রামি এরা একবার চিন্তা করে দেখুন। অথচ আমাদের দেশে প্রবাসীরাই এই ভা ইরাস বহন করে দেশে এনেছে। এখন নবাবজাদা সাজছে।

অচিরে দেশে ১৪৪ ধা’রা জা’রি করতে হবে। লোকজনকে ঘরে নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। এই ভা ইরাস বস্তি লেভেলে ছড়িয় গেলে আর রক্ষা নেই। এরজন্য বাড়িওয়ালাদেরও সদয় হতে হবে। গতকাল শেখ শিউলি হাবিব নামে এক ভবন মালিক তার বাড়ির সব ভাড়াটিয়ার ভাড়া মওকুফ করেছেন। স্যালুট তাকে।

এরপর ভাবনা নামের এক অভিনেত্রীর পরিবারও এই ঘোষণা দিয়েছেন। এভাবে বাড়ির মালিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। মানবতার হাত বাড়াতে হবে। মনে রাখবেন- পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ধর্ম হচ্ছে মানব ধর্ম। যাদের সামর্থ আছে তারা মানব সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করুন। দেখবেন একদিন আল্লাহই আপনাদের রিজিক বাড়িয়ে দেবেন। আজ যা আপনি মানব সেবায় ত্যাগ করছেন তা একদিন দ্বিগুন ফিরে পাবেন আল্লাহ সহায় থাকলে।

বর্তমানে দেশের যে অবস্থা আর আ তঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে সেই আ তঙ্ককে বাড়তে না দিয়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে চিকিৎ সা সেবায় যারা নিয়োজিত। দেশে করো’না ভা ইরাস মহামা রি আকার ধারণ করলে যাদের প্রয়োজন হবে তারা হলেন ডাক্তার আর নার্স। তাদের উৎসাহিত করতে হবে। তাদের প্রটেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

পোশাক সরবরাহ করতে হবে। গতকাল টাঙ্গাইলের কুমুদিনি হাস পাতালের প্রায় দেড় শতাধিক নার্স হাস পাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাদের কথা হচ্ছে তাদের প্রটেকশনের কোনও ব্যবস্থা নেই। এরকম সব হাস পাতালের চিত্র একই। মিডিয়াব্যক্তিত্ব ও ডাক্তার আবদুন নূর তুষার যা বলেছেন তা ফেলে দেওয়ার মতো না।

তার কথায়, আমরা আমাদের বাড়ির দারোয়ানের হাতেও তার নিরাপত্তার জন্য একটা লাঠি হলেও তুলে দিই। যদি তা দিতে না পারি তাহলে তার কাছ থেকে আমরা নিরাপত্তা কীভাবে আশা করব। আর সে নিজেকে রক্ষা করতে না পারলে আমাদের কীভাবে রক্ষা করবে। আর তাকে নিরাপত্তার জন্য সেরকম অ স্ত্র দিতে না পারলে সে তো সেই দায়িত্ব পালন করবে না।

তদ্রুপ, গণমাধ্যম কর্মীদেরও পোশাক সরবরাহ করতে হবে। তারা খবর সংগ্রহ করে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত মাঠে আর অফিসে যাওয়া আসা করছেন নিয়মিত। তাদের নিরাপত্তামূলক পোশাকেরও ব্যবস্থা করতে হবে।

এখন করো’না ভা ইরাস নিয়ে রাজনীতি করার সময় নয়। কটা’ক্ষ করে কথা বলার সময়ও এটা নয়। করো’না ভা ইরাস মানুষের সৃষ্টি নয়। এর সৃষ্টিকর্তা তিনি; যিনি আপনি, আমি সবাইকে সৃষ্টি করেছেন। তার ক্ষমতা নিয়ে চিন্তা করুন। তাকে ভ য় করুন। আমরা কোনওভাবেই করুনাভা ইরাসের চেয়ে শক্তিশালী নই। অহংকারী কথা ত্যাগ করতে হবে।

জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করতে হবে। সবচেয়ে ভালো হবে নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিজেদেরই তৈরি করতে পারলে। নিজে বাঁ’চলে বাপের নাম। বেশি অহং’কারী কথা কেউ বলবেন না। হয়তো ভুলে গেছেন, ইরানের পার্লামেন্টের ২৩ এমপি করো’নায় আ ক্রান্ত হয়েছিলেন। তাদের ভাইস প্রেসিডেন্টও আ ক্রান্ত হয়েছিলেন। বেশি দম্ভ কেউ প্রদর্শন করবেন না। আল্লাহ অহং’কারীদের পছন্দ করেন না।

প্রতিটা বাড়ি, পাড়ায়-মহল্লায় বসবাসকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে। নিজের নিরাপত্তার জন্য প্রাচীর তৈরি করুন। কীভাবে? আপনার বাড়ির গেইটে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখুন। যারা বাহির থেকে আসবে তারা সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে হবে। প্রয়োজনে সাইনবোর্ড টানিয়ে রাখুন।

সবাইকে এই নির্দেশ মানতে বাধ্য করুন। প্রতিটা অফিসে এই ব্যবস্থা রাখতে হবে। অপ্রয়োজনে কেউ কারও বাসায় যাবেন না। অথবা কাউকে আপনাদের বাড়িতে আসতে উৎসাহিত করবেন না। সবাই আপাতত নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করুন। বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। গণজমায়েত এড়িয়ে চলুন। অহেতুক যেখানে সেখানে আড্ডা দেবেন না।

এখনো গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। গতকাল শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেছেন- গার্মেন্টস বন্ধ করার কথা যেন কেউ মাথায় না অনেন। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে সেখানে কর্মরত পোশাককর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তারা নিচ্ছেন?

এখনও রাস্তায় বের হলে বুঝতে পারি আমাদের দেশের মানুষ ভ য় পায়নি। তাই অনেকেই সচেতন না। আমাদের দেশে এত প্রবাসী কিভাবে প্রবেশ করলো? ইতালির মতো উন্নত দেশের কথা একবার চিন্তা করুন। প্রতিদিন কতো মানুষ মরছে সেখানে।

আমাদের দেশে আর কতো মৃ ত্যু হলে মানুষ ভ য় পেয়ে সচেতন হবে? আমরা কাকে বুঝাবো? আমরা কি চিৎ কার করে কাঁদ’বো? এই পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ সরকার নিয়েছেন তাতে কি আমাদের দেশে মহামা রী ঠেকানো সম্ভব হবে? আমরা কয়জন মিলে চিৎ কার করে কাঁদলে সরকারের কানে কান্না পৌঁছাবে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি দয়া করুন।

জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিন। এখনই সময়। এখনো সময় হয়নি এই কথা বলার পরিস্থিতি আরও আগে পার হয়ে গেছে। ইতালির মতো ভুল করা চলবে না। সবাইকে গৃহে প্রবেশ করান। বাধ্য করুন। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে। বাঙালি সেনাবাহিনী ভ য় পায়। এদেশের মানুষকে কথায় বুঝানো যায় না। এদের বুঝাতে হলে গায়ে হাত তুলতে হয়। যার জন্য যেটা প্রযোজ্য।

লেখক : সাংবাদিক, নাট্যকার, সাহিত্যিক ও প্রতিদিনের সংবাদের অনলাইন ইনচার্জ

পাঠকের মতামত:
Back to top button