National News

চলমান বিধিনিষেধ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ছে, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ না কমা এবং ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের কারণে চলমান বিধিনিষেধ বা ‘লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন শনিবার (১৫ মে) এ তথ্য জানান। শনিবার প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানোর সংক্রান্ত ফাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন। আগের শর্তগুলোই বহাল থাকবে।

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ না কমা এবং ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের কারণে চলমান বিধিনিষেধ বা ‘লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন শনিবার (১৫ মে) এ তথ্য জানান।

শনিবার প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানোর সংক্রান্ত ফাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন। আগের শর্তগুলোই বহাল থাকবে। রবিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৭-২৩ মে আগর যে বিধি-নিষেধ ছিল তা চলমান থাকবে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, ঈদের পর ২২ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আমাদের ধারণা। এ জন্য বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া শুভেচ্ছা ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, মানুষের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায়। কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করতে।

সারাদেশে গত ৫ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সাতদিনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। সেই বিধিনিষেধ আরও দুদিন চলার পর ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় বিধিনিষেধের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ২৮ এপ্রিল আবারও বিধিনিষেধ বাড়িয়ে করা হয় ৫ মে পর্যন্ত। এরপর গত ৩ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আবারও বিধিনিষেধ বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সেই বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ছে।

পাঠকের মতামত:
Back to top button