National News

এবার স্কুলে যে পরিবর্তন আসছে

পরিবর্তন আসছে – নতুন কারিকুলামে স্কুল পর্যায়ে অর্থ্যাৎ নবম ও দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের বিভাজন তোলে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার রাতে একাদশ জাতীয় সংসদের দশম (মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ) অধিবেশনে বক্তব্য দেয়ার সময় মন্ত্রী এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগ সমন্বয় করে কারি’কুলাম তৈরি করা হবে। ২০২২ সাল থেকে এ কারি’কুলামটি কার্য’কর হবে।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপ’তিত্বে একাদশ জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশন পুনরায় শুরু হয়।

এদিকে এক বি’জ্ঞপ্তিতে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছে, মহামা’রি ক’রোনাভা’ই’রাসের কারণে খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুলে সর’কার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্য’ক্রম চালিয়ে নেয়ার চি’ন্তা করছে।

অটোপ্রমোশনে খুব বেশি ক্ষতি হয়ে গেল, এটা কিন্তু ঠিক নয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ‘অটোপ্রমোশনে’ খুব ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে অটোপ্রমোশনে দেশব্যাপী সৃষ্ট মিশ্র প্রতিক্রিয়াতেও নিজস্ব অ’ভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘অটোপ্রমোশনের ব্যাপারে আমি বলব- আগে তো আমাদের সেমিস্টার সিস্টেম ছিল না। আমি প্রথমবার সরকারে এসে এই সেমিস্টার সিস্টেম চালু করি। কাজেই সারা বছর তারা যে পরীক্ষা দিয়েছে সেটার ভিত্তিতেই একটা রেজাল্ট দেওয়া। এটা তো ইংল্যান্ডও দিয়েছে, পৃথিবীর অনেক দেশই দিয়েছে। এতে খুব বেশি একটা ক্ষতি হয়, তা নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারপরে তো স্কুল খুলবে, পড়বে, পরীক্ষা দেবে যারা টিকে থাকবে। নইলে আবার পরীক্ষা দেবে। সে সুযোগ তো রয়েছে। কাজেই একটা অটোপ্রমোশনে খুব যে বেশি ক্ষতি হয়ে গেল, এটা কিন্তু ঠিক নয়।’

তিনি উদাহারণ দিয়ে বলেন, একদিন বসে লিখে পাশ করেও সে পাশই পাশ আর সারা বছর পরীক্ষা দিয়ে যে রেজাল্ট সে রেজাল্ট কিছু না এটা তো হতে পারে না। বরং সেইভাবে যদি সারা বছরের রেজাল্ট একসঙ্গে করে প্রমোশন দিয়ে দেওয়া যায় তাহলেও তো আমি মনে করি তাদের মেধার পরিচয়টা পাওয়া যায়।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের স্বপক্ষে বলেন, ‘আরো ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায় তাতে।’

প্রধানমন্ত্রী সব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ না করার কারণও ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন, ‘স্কুল করার একটা নিয়ম আছে। অনেকে সেই নিয়ম মানেননি। যেখানে-সেখানে যখন-তখন একটা স্কুল খুলে ফেলেছেন। হয়তো ছাত্র-ছা’ত্রীই নাই সেখানে। এরকমও আছে ছাত্র-ছা’ত্রীদের থেকে শিক্ষকের সংখ্যাও বেশি। নিয়মটা স্কুল এবং মাদ্রাসা সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সবাইকে শিক্ষা নীতিমালার মধ্যে আনার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। কারণ তার সরকার চায় দেশ আরো এগিয়ে যাক।

প্রধানমন্ত্রীর সমাপনী বক্তব্য শেষে তার অনুরোধে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধান সংশোধনকালে জাতীয় সংসদে জাতির পিতার দেয়া ভাষণটি বাজিয়ে শোনানো হয়।

পাঠকের মতামত:
Show More
Back to top button