Miscellaneous News

ব্যারিস্টার সুমনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করল আ ইন মন্ত্রণালয়

সুমনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ- আন্তর্জাতিক অপ রাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে আ ইন মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পদত্যাগপত্র গ্রহণের তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, উপযুক্ত বিষয় ও সুত্রের প্রেক্ষিতে নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছি যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এর চীপ প্রসিকিউটর কার্যালয় কতৃক প্রসিকিউটর জনাব সৈয়দ সায়েদুল হক ( সহকারী অ্যার্টনি জেনারেল পদমর্যাদা) এর দাখিলকৃত পদত্যাগপত্রের প্রেক্ষিতে অত্র মন্ত্রণালয়ে বিগত ১২-১১-২০১২ খ্রিঃ তারিখের সলিঃ/ জিপি-পিপি/ আঃ ট্রাঃ-০২/২০১০-১৮৯ নং স্মারকমুলে তার প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ আদেশ বাতিল পূর্বক তার পদত্যাগপত্র সরকার কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

এছাড়া এমতাবস্থায় জনাব সৈয়দ সায়েদুল হককে (সহকারী অ্যার্টনি জেনারেল পদমর্যাদার) প্রসিকিউটর এর পদ হতে এতদ্বারা অব্যাহতি প্রদান করা হলো। এর আগে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন আন্তর্জাতিক অপ রাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

ওই পদত্যাগপত্রে সুমন লিখেছিলেন, ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর আমি আন্তর্জাতিক অপ রাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে যোগদান করি। যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন মা মলা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পরিচালনা করেছি। ইদানীং বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে নিবিড়ভাবে জ’ড়িত হয়ে যাওয়ার কা রণে আন্তর্জাতিক অপ রাধ ট্রাইব্যুনালের মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে সময় দিতে পারছি না।

শ্বাসক ষ্টে আ ক্রান্ত ৮০ বছরের একজন বৃদ্ধার মৃ ত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ওই নারী জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের উত্তর কুশলপুর গ্রামে তার বাড়িতে মা রা যান। তিনি ঢাকা ফেরত হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে করোনাভাইরা স আ ক্রান্ত স ন্দেহে নানা শ ঙ্কা দেখা দিয়েছে। এক পর্যায়ে তার লা শ দা ফন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় লোকজন ও প্রশাসন। যদিও পরে আইইডিসিআরের নিদের্শ মতে মর’দে হের নমুনা সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বকশীগঞ্জের ইউএনও আ স ম জামশেদ খোন্দকার।

এদিকে মায়ের লা শ দা ফন করতে না দেয়ায় দুর্ভো’গে পড়েছেন বৃদ্ধার পরিবার। তার রিক্সাচালক ছেলে জানান, আমরা মানবিক বি পর্যয়ের মধ্যে আছি। প্রশাসন ও থা না থেকে পু লিশের লোক আসায় এখন এলাকাবাসীও কেউ আমাদের বাড়িতে আসতে চাইছেন না না। আমার মা তো করোনাভাইরা সের রো গী না। তাইলে দা ফন করতে দেবে না কেন? আমরা এখন কি করব?

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জের ইউএনওর নেতৃত্বে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি দল আজ মঙ্গলবার বিকেলে মৃ ত ওই বৃদ্ধার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইউএনও জামশেদ খোন্দকার বলেন, ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা শ্বসক ষ্টজনিত কা রণে তার মৃ ত্যু হয়েছে বলে দাবি করলেও ওই নারী স ম্পর্কে আগে থেকেই কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

অপরদিকে এলাকাবাসীর মাঝে করোনাভাইরা স সং ক্রমণের অধিকতর ঝুঁ কি এড়াতে তার দা ফন স্থগিত করে ঢাকায় আইইডিসিআরে যোগাযোগ করেছি। আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে ওই নারীর নমুনা সংগ্রহ করে রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সবাই পিপিই পরে নমুনা সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছি। নমুনা সংগ্রহের পরপরই যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই ম’রদে হ দা ফনের অনুমতি এবং আমাদের উপস্থিতিতেই তা নিশ্চিত করা হবে।

ওই বৃদ্ধার ছেলে জানান, তার মা দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসক ষ্টজনিত রো গে ভুগছিলেন। ঢাকায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে মায়ের চিকিৎ সা করেছেন। ঢাকায় কোনো হাস পাতালেও তাকে নিয়ে যাননি। তারা ঢাকায় উত্তরার আজমপুর এলাকায় রেললাইনের পূর্বপাশে ভাড়াবাসায় থাকেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তার বাবার মৃ ত্যুর পর মা আরো বেশি অ’সুস্থ হয়ে পড়েন। তার মায়ের ইচ্ছায় তাকে অ’সুস্থ অবস্থায় শনিবার রাতে ঢাকা থেকে বকশীগঞ্জে গ্রামে বাড়িতে নিয়ে আসেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে তিনি মা রা যান।

পাঠকের মতামত:
Back to top button