Miscellaneous News

বাবার কাছে বেড়াতে যাওয়া হলো না কলেজ ছাত্রী ফারিয়ার

বাবার কাছে বেড়াতে – বাপের বাড়ি যাওয়া হলো না সুহৃদ কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়া ফারিয়া আক্তার (২০) নামের এক শিক্ষার্থীর। বিকেলে নানার বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি মালিপাড় গ্রামে যাওয়ার পথে সেচ পাম্পের পাখার সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে মৃ’ত্যু হয় ওই শিক্ষার্থীর। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট দক্ষিণ ইউপির মালিপাড় গ্রামের মদিনা ব্রিকসে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে।

নি’হতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ফারিয়া সোমবার বিকেলে নানার বাড়ি রায়কোট উত্তর ইউপির চুফুয়া গ্রাম থেকে বাপের বাড়ি মালিপাড় গ্রামে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে মদিনা ব্রিকসের পানি নি’ষ্কাসন করার জন্য চুফুয়া-মালিপারা রাস্তার ওপর একটি সেচ পাম্প বসায়। ওই পাম্পের ওপর দিয়ে পার হবার সময় পাখার সঙ্গে ফারিয়ার ওড়ানা পেচিয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃ’ত্যু হয়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নি’হতের লা’শ উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এবিষয়ে নি’হতের মা সেলিনা বেগম বলেন, ফারিয়ার জন্মের পর পরেই তার স্বামী মোশাররফ তাকে তালাক দেন। মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি আর বিয়ে বসেননি। ফারিয়া নানার বাড়িতে বড় হয়। সোমবার বিকেলে তার দাদার বাড়িতে যাওয়ার পথে তার মৃ’ত্যু হয়। তার একটি মাত্র সন্তান। তিনি এ ঘটনার বিচার চান।

এ ঘটনায় মন্তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক ইয়াছিন বাবুল জানান, ব্রিকসের লোকজন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চুফুয়া-মালিপাড়া গ্রামের রাস্তার ওপর সেচ পাম্প বসিয়ে পানি নি’ষ্কাসন করছে। এতে করে এ রাস্তা দিয়ে কোন লোকজন বা যান চলাচল করতে পারে না। তাদের কারণে আজ অকালে ঝরে গেছে একটি তাজাপ্রাণ। আমিও বেশ কয়েকবার এ রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য গেলে যেতে পারিনি। তারা রাস্তার ওপর সেচ পাম্প বসিয়ে সব সময় রাস্তাটি দখল করে রাখে।

এবিষয় সোমবার রাতে অভিযু’ক্ত মদিনা ব্রিকসের মালিক জাফর আহম্মদ মোল্লা মুঠো ফোনে জানান, এটি একটি অনাকা’ঙ্ক্ষিত ঘটনা। ঘটনাটি মি’মাংসার চেষ্টা চলছে।নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নি’হতের ম’রদেহ উ’দ্ধার করে। মঙ্গলবার নিহতের ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় মা’মলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পাঠকের মতামত:
Show More
Back to top button