International News

লকডাউন অমান্য করায় মুরগি বানিয়ে শা স্তি!

লকডাউন অমান্য করায়- লকডাউন অ’মান্য করায় করাচিতে মুরগি বানিয়ে শা স্তি দিলো পু লিশ। করো’না ভা ইরাস ঠেকাতে পাকিস্তানের করাচি, সিন্ধু ও পাঞ্জাবসহ কয়েকটি প্রদেশ লকডাউন করা হয়েছে। নিয়ম অমান্য করায় দেশটির পু লিশ অপ রাধীদের রাস্তায় মুরগী বানিয়ে শা স্তি দিয়েছে। জিও নিউজ, ডেইলি জাং

সরকারী আদেশ এবং আ ইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর ঘোষণা করার পরও করাচির শাহ ফয়সালের ৫ নম্বর কোরঙ্গি রোডের বাড়ি থেকে বের হওয়ায় এসব ব্যক্তিদের শা স্তি দেয়া হলো। সম্প্রতি শাস্তির একাধিক ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ভা ইরাল হয়েছে।

এর আগে সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ বলেছেন, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া আমাদের ঘর থেকে বের হওয়ার প্রয়োজন নেই। এটাই আমাদের জন্য ভাল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাত ১২ টার পর থেকে পুরা প্রদেশে পু লিশ ও সেনাবাহিনী টহল শুরু করে।

অপ্রয়োজনীয় দোকান বন্ধ এবং জনসাধারণকে ঘরে অবস্থান করার আহ্বান জানায় নিরাপপত্তা বাহিনী। এছাড়াও, লকডাউন ল’ঙ্ঘন করায় করাচি থেকে পু লিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফ তার করেছে।

পাকিস্তানে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৮৭৫ জন করো’না ভা ইরাসে আ ক্রান্ত হয়েছে। ভা ইরাসটিতে আ ক্রান্ত মৃ ত্যু হয়েছে ৬ জনের এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ জন।

ভারতে করো’না ভা ইরাসে আ ক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে ৫০০ ছাড়িয়েছে। করো’নার এই দা পট ঠেকাতে পুরো ভারতকেই আগামী তিন সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে এ ঘোষণা দেন তিনি। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।

মোদি বলেন, লকডাউন না করলে দেশ আরও ২১ বছর পিছনে চলে যাবে। এ জন্য আগামী তিন সপ্তাহ এই লকডাউন জারি থাকবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এই সময় যে যেখানে রয়েছেন, সেখানেই থাকুন। কিছু মানুষের ভুল সিদ্ধান্তের ফলে বহু মানুষের জীবনে বি পদ ডেকে আনতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ভারতীয়, প্রত্যেক পরিবারকে বাঁ’চানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। দেশের যা পরিস্থিতি, তাতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দেশের প্রতিটি রাজ্য, জেলায় এই নির্দেশ কার্যকর হবে বলেও মোদি উল্লেখ করেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করো’না ছ’ড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রায় দুই শ দেশ ও অঞ্চলে। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে করো’নার ছোবলে মা রা গেছে ১৭ হাজার ২২৯ জনের। আ ক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৫০২। চিকিৎ সায় সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৭১৯ জন।

আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা বাড়িয়ে করো’নার বিস্তার কমানো সম্ভব বলে দাবি করেছেন চীনের একদল গবেষক। তবে শুধুমাত্র আবহাওয়া পরিবর্তনের মাধ্যমেই এই ভা ইরাসের প্র’কোপ একেবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়। এটি বিশ্বের সব অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য বলে জানিয়েছেন ওই গবেষকদলের সদস্যরা।

চীনের বেইহাং এবং সিনঘুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষকরা বলছেন, চীনের শতাধিক শহরে আবহাওয়া উষ্ণ এবং সেখানকার আদ্রতা বাড়তে থাকায় কোভিড-১৯য়ের প্র’কোপ কমেছে।

গবেষকরা বলছেন, শীতকালীন আবহাওয়ায় ঠান্ডা, কাশি এবং জ্বরের মতো উপসর্গগুলো বেড়ে যায়। এ সময় ভা ইরাস খুব সহজেই বিস্তার লাভ করতে পারে এবং শ রীরে হা না দিতে পারে। কিন্তু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে ভা ইরাস দ্রুত বিস্তার লাভ করতে পারে না।

চীনে যখন এই ভা ইরাসের প্র’কোপ ছড়িয়ে পড়েছিল তখন সেখানকার তাপমাত্রা কম ছিল। চারদিকে ঠান্ডা আর কম তাপমাত্রার কা রণে ভা ইরাসের প্র’কোপ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে চীনে এই ভা ইরাসের প্রকো’প কমতে শুরু করেছে। সেখানে আ ক্রান্ত ও মৃ ত্যুর সংখ্যাও কমছে।

এক গবেষক লিখেছেন, উচ্চ তাপমাত্রা এবং আদ্রতায় দেখা গেছে, তাৎপর্যপূর্ণভাবে কোভিড-১৯য়ের প্রকো’প কমছে। গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উষ্ণ তাপমাত্রা, তাপ এবং আদ্রতা কেবলমাত্র ভা ইরাসের প্রকো’প কমাতে পারে। কিন্তু এটা ভা ইরাসের বিস্তার বন্ধ করতে পারে না।

এর আগে এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ৮৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় করো’না ভা ইরাস টিকে থাকতে পারে না। চীনা গবেষকরা বলছেন, প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে করো’নার প্রকো’প কমার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ তাপমাত্রা যত বাড়বে ভা ইরাসের বৃদ্ধি তত ঠে’কানো সম্ভব হবে। তবে শুধুমাত্র তাপএমাত্রা বাড়িয়েই এই ভা ইরাসের বিস্তার একেবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়।

পাঠকের মতামত:
Back to top button