International News

মৃ ত্যুর ৩০ মিনিট আগে যে ভ য়াবহ ভিডিও বার্তা দিয়েই মা রা গেলেন সেই চিকিৎসক 

মৃ ত্যুর ৩০ মিনিট আগে- করো’না ভাইরা সে আ ক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মা রা যান পাকিস্তানের নাগরিক ও লাহোরের একটি নার্সিং হোমের চিকিৎ সক উসামা রিয়াজ।

মৃ ত্যুর ঠিক ৩০ মিনিট আগে ওই চিকিৎ সক হাস পাতালের বেডে শুয়ে নিজের মোবাইলে একটি ভি’ডিও করেন। সেখানে তিনি করো’নাভাইরা স নিয়ে বিশ্ববাসীকে কিছু কথা বলে গেছেন।

ডা. উসামা রিয়াজ বলেন শুধু বার বার বলেই গেলেন, ‘এই ভাইরা স নিয়ে একেবারেই রসিকতা নয়। এই ভাইরা স ভ য়ঙ্কর। প্রা’ণঘা তী৷ সাবধানে থাকুন, সচেতন থাকুন। এই ভাইরা সের সঙ্গে ল ড়তে হবেই। দেশকে বাঁচাতে, বিশ্বকে বাঁচাতে সবাইকে একজোট হতেই হবে।

আমার পরিবার, আপনার পরিবার সবাইকে এই ভাইরা স থেকে রক্ষা করতে হবে…

স ন্দেহভাজন করোনাভাইরা স রো গীদের পরীক্ষা করতেন পাকিস্তানি তরুণ চিকিৎ সক ডা. ওসামা রিয়াজ। সা’হসের সঙ্গে এ কাজ করায় প্রশংসিত হচ্ছিলেন তিনি।

কিন্তু কোভিড-১০ রোগে পজেটিভ আসার পর এই চিকিৎ সকও রোববার মা রা গেছেন। এতে সুরক্ষা সামগ্রী সহজলভ্য করা না গেলে চিকিৎ সকরা কতটা হু মকিতে পড়ে যাবেন, সেই আভাসই দিয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় গিলগিট প্রদেশের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহ জামান বলেন, ইরান সীমান্তবর্তী শহর তাফতান থেকে যাওয়া রো গীদের স্ক্রিনিং করতেন চিকিৎ সক উসামা রিয়াজ। তার এই সাহসিকতার জন্য ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, অন্যরা যখন ভ য়ে পিছিয়ে গেছেন তখন তিনি করো’না রো গীদের সেবা দিয়েছেন বীরের মতো।

জিবি সরকারের তথ্য বিভাগ টুইটে বলেছে, খুব দুঃ’খের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, গিলগিট বালতিস্তান স্বাস্থ্যবিভাগ নিশ্চিত করছে করো’না ভাইরা সের বিরু দ্ধে ল ড়াইয়ে মূল ভূমিকা পালনকারী চিকিৎ সক উসামা রিয়াজ আর নেই। ওই বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, ওই চিকিৎ সককে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় বীর ঘোষণা দেয়া হবে।

ইরান ও চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্ত রয়েছে। অর্থাৎ বৈশ্বিক মহামা রী করোনাভাইরা সে সবচেয়ে বেশি আ ক্রান্ত দুটি দেশই পাকিস্তানের প্রতিবেশী।

ভ’ঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাকিস্তান বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহৎ জনসংখ্যাবহুল দেশ। দেশটির স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গিলগিট-বালতিস্তানে (জিবি) নভেল করোনাভাইরা সের বিরু দ্ধে ল ড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন তরুণ এই চিকিৎ সক।

এক টুইটে বার্তায় জিবি সরকারের তথ্য বিভাগ জানায়, গিলগিট-বালতিস্তান স্বাস্থ্য বিভাগ অত্যন্ত দুঃ’খের সঙ্গে জানাচ্ছে যে করোনাভাইরা সের বিরু দ্ধে ল ড়াইয়ে প্রধান ভূমিকা পালনকারী উসামা রিয়াজ মা রা গেছেন। চিকিৎ সক রিয়াজকে সরকারিভাবে জাতীয় বীর ঘোষণা করা হবে বলে তথ্য বিভাগের ওই টুইটে বলা হয়েছে।

ব্রিটেনে করো’না ভাইরা সে মঙ্গলবার আরও ৮৭ জনের মৃ ত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোভিড নাইনটিনে আ ক্রান্ত হয়ে ৬ জন বাংলাদেশি মা রা গেছেন। এ নিয়ে দেশটিতে মৃ তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২২ জনে।

লাফিয়ে বাড়া এ মৃ তের সংখ্যা নিয়ে হি’মশি’ম খাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। লা শ পু ড়িয়ে ফেলার প্রস্তাবনা করা হলেও তা শেষতক ব্রিটিশ সংসদে চূড়ান্ত হয়নি বিলটি।

ব্রিটেনে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে করো’না ভাইরা সের সং ক্রমণ ভ য়াবহ ভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশ ঙ্কা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। গত তিনদিনের মৃ ত্যুর হার পর্যালোচনা করলে হয়তো সেই আশ ঙ্কাই সত্যি হওয়ার পথে।

দেশটির এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য আবু মুমিন বর্ণনা করলেন, করোনায় আ ক্রান্ত এক বাংলাদেশির যন্ত্রণা ও আকুতির কথা। মৃ তের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকলে প্রত্যেকের ক বরের ব্যবস্থা নিয়ে মা রাত্মক হি’মশি’ম খেতে হবে ব্রিটিশ সরকারকে।

আর তাই, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে করো’না ভাইরা স বিলে লা শ পু ড়িয়ে ফেলার প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছিল, তবে ব্রিটিশ মুসলিম এমপি নাজ শাহের বিরো ধিতায় তা ভেস্তে যায়। এখন পর্যন্ত কোভিড নাইনটিনে আ ক্রান্ত সর্বমোট ৬ জন বাংলাদেশি মা রা গেছে বলে নিহ তদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

ব্রিটেনে অব্যাহত এ মৃ ত্যুর মিছিলে বাদ যাচ্ছে না তরুণ থেকে বৃদ্ধ কেউই। দিন যতই যাচ্ছে পরিস্থিতি ততই ভ য়াবহ থেকে ভ য়ংকর হচ্ছে। প্রশ্ন শুধু এখন একটাই, কখন থামবে এই মৃ ত্যুর মিছিল।

পাঠকের মতামত:
Back to top button