Health News

করো’নায় বাঁ’চতে চাইলে ৯ অভ্যাস এখনই বদলান!

করো’নায় বাঁ’চতে চাইলে- করো’না ভা ইরাসের কা রণে সারাবিশ্বের মানুষ আ তঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। ইতোমধ্যে এই ভা ইরাসে আ ক্রান্ত হয়ে কয়েকজন মা রা গেছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো ক ঠিন হয়ে পড়ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করো’না ভা ইরাস ছড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করা দরকার। আর এসব অভ্যাস পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নিজের যেমন ঝুঁ কি কমে, অন্যরাও ঝুঁ কি থেকে বাঁ’চে।

সামাজিকতা পরিহার: রেস্টুরেন্ট, নাইট ক্লাব, চার্চ, মসজিদ, বিয়ের অনুষ্ঠান কিংবা শেষকৃ ত্যে অংশ নেওয়া থেকে বির’ত থাকতে হবে।

প্রতিদিন বাইরে যেভাবে ঘুরে বেড়াতেন, সেটাও কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবে এরই মধ্যে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে।

সেহেতু সামাজিকতা রক্ষা করতে গিয়ে বি’পাকে পড়া থেকে বির’ত থাকাই উচিৎ। বন্ধু-বান্ধবদের এই অসময়ে এড়িয়ে চলার বিকল্প নেই।

হাত মেলানো: করো’নায় আ ক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁ’চতে অন্যের সঙ্গে হাত মেলাতে নিষেধ করেছে বিশেষজ্ঞরা। কা রণ, হাত মেলানোর ফলে জী বাণু ছ’ড়িয়ে পড়ে।

অফিসে যাওয়া: বিভিন্ন দেশে স্কুল কলেজের পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের ঘরে বসে কাজ করার কথা বলা হচ্ছে।

আমাদের দেশেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বাড়িতে থেকে কাজ করছেন। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে থেকে কাজ করা সম্ভব হলে, অফিসে না যাওয়া ভালো।

টাকা: টাকা লেনদেনের মাধ্যমে কিন্তু হাতে জী বাণু লেগে যায়। প্রয়োজনে টাকা স্প র্শ করলে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে নগদ টাকা ছাড়া কার্ড কিংবা অনলাইনে পেমেন্ট করা ভালো।

জী বাণুমুক্ত থাকা: নিজে সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস করতে হবে। হাত ধোয়ার সময় সাবান কিংবা হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার তরতে হবে। পানি না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে।

চলাচলে নিয়ন্ত্রণ: চীনে করো’না ভা ইরাস ছড়িয়ে পড়তেই উহান শহর লকডাউন করে দেওয়া হয়। পরে পুরো চীন লকডাউনে চলে যায়।

ভা ইরাসটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে নিজেদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা দরকার।

খরচ কমানো: সারাবিশ্বের বিভিন্ন খাত করো’না ভা ইরাসের কা রণে ক্ষ তির সম্মুখীন হয়েছে। বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে বসে থাকতে হচ্ছে মানুষজনকে।

সবমিলিয়ে বৈশ্বিকভাবে অর্থনৈতিক ম’ন্দার শ ঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় খরচ কমানোর বিকল্প নেই। প্রয়োজনীয় সামগ্রী, খাবার এবং জী বাণু থেকে বাঁ’চার সরঞ্জাম কিনতে হবে। বাড়তি খরচ এখন না করাই ভালো।

অনলাইনে কেনাকাটা: কেনাকাটার জন্য শপিংমলে না গিয়ে অনলাইনেই কাজটি সেরে নিতে পারেন। এতে করে জনসমাগম যেমন এড়ানো যাবে, ঘরে বসেই ডেলিভারি পাবেন। সেই সঙ্গে দেশের ই-কমার্স কিছুটা গতি পাবে।

চিকিৎ সা নেওয়া: অনেকেই একেবারে খা’রাপ পরিণতি হওয়া পর্যন্ত চিকিৎ সকের কাছে যাওয়ার ব্যাপারে উদাসীনতা দেখান। এটা করবেন না। আবার হালকা সমস্যা হলেই হাস পাতালে দৌড় দেবেন না। বিষয়টি সুচিন্তিতভাবে ভেবে দেখুন। তারপরই সিদ্ধান্ত নিন।

চীন থেকে উৎপত্তি এই ভা ইরাস আরও ভ য়ঙ্কর রূপ নিয়েছে চীনের বাইরে। ইউরোপের দেশ ইতালিকে মৃ ত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। এছাড়াও স্পেন, ফ্রান্স ও ইরানেও তাণ্ডব চালাচ্ছে নতুন এই ভা ইরাস।

এতদিন করো’না ভা ইরাসে সং ক্রমিত হওয়ার যেসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল; তার সঙ্গে এবার আরও দুটি লক্ষণ বা উপসর্গ যোগ হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে ঘ্রা’ণশক্তি ও জিহ্বার স্বাদ শক্তি লোপ পাওয়া। এই দুটি লক্ষণেও চেনা যাবে করো’নায় আ ক্রান্ত ব্যক্তিকে।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও ব্রিটিশ গবেষক দল নতুন এই লক্ষণের কথা জানিয়েছে। খবর নিউইয়র্ক পোস্ট ও বিবিসি’র। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, সর্দি, হাঁচি-কাশি, জ্বর, শ্বাসক ষ্ট, শ রীরে ব্যথা ছাড়াও করো’নায় আ ক্রান্তরা ঘ্রাণশক্তিহীন হয়ে পড়েন। কোনও বস্তুর ঘ্রাণ পান না তারা। সেই সঙ্গে তাদের জিহ্বার স্বাদ শক্তিও কমে যায়।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্য সেবার প্রধান জেরোমি সালমন বলেন, যাদের নাক বন্ধ নয় বা এ রকম কোনও রো গ নেই কিন্তু হঠাৎ করে কিছুর ঘ্রাণ পাচ্ছে না, তারা এই ভা ইরাসে সং ক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে ব্যাপকহারে করো’নায় আ ক্রান্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে আ ক্রান্ত অনেকের অন্যসব লক্ষণ নেই কিন্তু তারা ঘ্রাণশক্তি হারা’চ্ছেন।

পাঠকের মতামত:
Back to top button