Entertainment News

বিয়ের শখ পুরোপুরি মিটে গেছে: শাবনূর

পুরোপুরি মিটে গেছে – শাবনূর, বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল চিত্রনায়িকা। ১৯৯৩ সালে অভিষেকের পর অভিনয় করেছেন দেড় শতাধিকের বেশি সিনেমায়। সালমান শাহ, রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস, মান্না ও শাকিব খানের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন অনেক। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার এবং দশবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছেন এ অভিনেত্রী।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এ চিত্রনায়িকা ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদকে। বিয়ের পর অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন এবং নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রথম পুত্রসন্তানের মা হন শাবনূর। অনিক-শাবনূর দম্পতির প্রথম সন্তানের নাম আইজান নিহান। শাবনূরের সুখের সংসারে হঠাৎ নেমে এল অশান্তি। স্বামীর সঙ্গে ‘বনিবনা হচ্ছে না’-এমন কারণে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন চিত্রনায়িকা। ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি স্বামীকে তালাক দিয়েছেন তিনি। ভেঙে যায় শাবনূর-অনিকের আট বছরের সংসার।

বিচ্ছেদের পর শাবনূর গণমাধ্যম থেকে অনেকটা আড়ালেই ছিলেন। সম্প্রতি তিনি আলোয় এসেছেন। সাক্ষাৎকার দিয়েছেন দেশীয় একটি গণমাধ্যমে। নতুন করে জীবনসঙ্গী নিয়ে কিছু ভেবেছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে শাবনূর হেসে বলেন, ‘ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়। আমার আর ইচ্ছা নেই। বিয়ের শখ পুরোপুরি মিটে গেছে। আমি মনে করি, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেশ ভালোই আছি। শান্তি নষ্ট করতে চাই না।’

বিয়ের জন্য এখনো প্রস্তাব পান শাবনূর। তবে ওইগুলোতে মাথা ঘামান না তিনি। তার ভাষায়, ‘আসতেই থাকুক। আমি বাপু ওসবে আর নেই।’ এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা নেই এ অভিনেত্রীর। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ফিরবেন মাতৃভূমিতে।

অস্ট্রেলিয়ায় বসে কাজের পরিকল্পনা করছেন তিনি। জানা গেছে, ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন শাবনূর। তার অভিনীত সিনেমার গানগুলোর নতুন করে সংগীতায়োজন করার পরিকল্পনা করছেন। ভক্তদের কাছাকাছি আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকটিভ থাকার জন্যই ইউটিউব দুনিয়ায় আসছেন শাবনূর।

ছেলে আইজানকে নিয়ে বলেন, ও ছয় পেরিয়েছে। ক্লাস ওয়ান শেষ। সিডনিতে পুরোদমে স্কুল চলছে। আইজানের খুব একটা দেখাশোনা করতে হয় না। সে নিজের খেয়াল নিজে রাখতে শিখেছে। এখানকার বাচ্চারা এমনিতে খুব স্মার্ট।

সময় কিভাবে কাটছে জানতে চাইলে শাবনূর বলেন, বাংলাদেশের চেয়েও এখানে আমার বেশি বন্ধুবান্ধব। অনেক ঘোরাঘুরি করি। ভাবছি, স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ নেব। বাচ্চা যেহেতু বড় হয়ে যাচ্ছে, এখন অনেক কিছু করা সম্ভব।

পাঠকের মতামত:
Back to top button